পাবনা ক্যাডেট কলেজ ভর্তি ২০২৬-২৭ — যোগ্যতা, পরীক্ষা ও আবেদন
To read this in English, visit: Pabna Cadet College Admission 2026-27 — Eligibility, Exam and How to Apply
পাবনা ক্যাডেট কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮১ সালের ৭ আগস্ট, ঢাকা-পাবনা মহাসড়কের পাশে পাবনা সদর উপজেলার জালালপুর গ্রামে, শহর থেকে প্রায় দশ কিলোমিটার পূর্বে। ক্যাম্পাসের আয়তন ৩৮.২৫৫ একর।
পাবনা ক্যাডেট কলেজ — এক নজরে
| তথ্য | বিবরণ |
|---|---|
| প্রতিষ্ঠানের নাম | পাবনা ক্যাডেট কলেজ |
| কেন্দ্রীয় তালিকায় | নেই — একাদশ শ্রেণির কেন্দ্রীয় ভর্তি তালিকায় এই প্রতিষ্ঠান নেই (যাচাই ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬) |
| ঠিকানা | জালালপুর, পাবনা সদর, পাবনা |
| শিক্ষা বোর্ড | রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড |
| ধরন | সেনাবাহিনী পরিচালিত ক্যাডেট কলেজ |
| শিক্ষার্থী | ছাত্র (বালক) |
| প্রতিষ্ঠাকাল | 1981 |
| ভর্তি পদ্ধতি | জাতীয় ভর্তি পরীক্ষা — ৭ম শ্রেণি |
| ওয়েবসাইট | pcc.army.mil.bd |
পাবনা ক্যাডেট কলেজ ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২৬-২৭ — এখন কী অবস্থা
এখানে একাদশের কাট-অফ নেই, কারণ ক্যাডেট কলেজে একাদশে ভর্তি হয় না। বার্ষিক আসনসংখ্যাও লেখা হয়নি — কলেজ মোট ক্যাডেট সংখ্যা জানায় (ছয় শ্রেণিতে ৩১৪), কিন্তু সেটিকে ছয় দিয়ে ভাগ করে “বার্ষিক আসন” বানানো হবে অনুমান, তথ্য নয়।
পাবনা ক্যাডেট কলেজ সম্পর্কে
রূপান্তরের তারিখটি এখানে নথিতে নির্দিষ্ট, যা অন্য অনেক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে পাওয়া যায় না। রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুলের তৎকালীন অধ্যক্ষ আবদুল বাশার ১৯৮১ সালের ১৫ মে প্রতিষ্ঠানের পূর্ণ দায়িত্ব তুলে দেন সৈয়দ সলিমুল্লাহর হাতে, যিনি ছিলেন প্রকল্প পরিচালক ও পাবনা ক্যাডেট কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ। কলেজ যাত্রা শুরু করে আগের স্কুল থেকে আসা ১৭০ জন ছাত্র নিয়ে, চারটি শ্রেণিতে।
কলেজের মটো “Perseverance is Success” — অধ্যবসায়েই সাফল্য। তিনটি হাউসের নাম ভাসানী, তিতুমীর ও সিরাজী। নামগুলো লক্ষণীয়: রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের হাউসগুলো যেখানে ইসলামি ইতিহাসের সেনানায়কদের নামে, পাবনার হাউসগুলো সেখানে এই অঞ্চলের রাজনৈতিক ও সাহিত্যিক ঐতিহ্যের নামে।
পাবনা ক্যাডেট কলেজ — ৭ম শ্রেণিতে আসন
| গ্রুপ / বিভাগ | আসন | মন্তব্য |
|---|---|---|
| ৭ম শ্রেণিতে বার্ষিক ভর্তি | not published | কলেজের নিজস্ব পাতা অনুযায়ী ছয় শ্রেণিতে মোট ৩১৪ জন ক্যাডেট; বার্ষিক আসন আলাদা করে দেওয়া নেই এবং ভাগ করে বের করা হয়নি |
সংখ্যাগুলো বর্তমান কাঠামো শিক্ষাবর্ষের; নতুন বিজ্ঞপ্তি এলে বদলাতে পারে।
পাবনা ক্যাডেট কলেজ-এ একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া যায়?
সংক্ষেপে: যায় না। ক্যাডেট কলেজে শিক্ষার্থী নেওয়া হয় কেবল ৭ম শ্রেণিতে, আর সেই ক্যাডেটরাই দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ে — অর্থাৎ একাদশ শ্রেণির আসন আগে থেকেই পূর্ণ। এসএসসির পর বাইরে থেকে ক্যাডেট কলেজে ভর্তির কোনো পথ নেই, আর কেন্দ্রীয় একাদশ ভর্তির তালিকায় কোনো ক্যাডেট কলেজ নেই (আমরা ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ৯টি সাধারণ বোর্ডের ৬৬ জেলার ৫,১৩৪টি প্রতিষ্ঠানের তালিকা মিলিয়ে দেখেছি — একটিও নেই)।
| যে প্রশ্নটি খোঁজা হয় | প্রকৃত উত্তর |
|---|---|
| একাদশ শ্রেণিতে ন্যূনতম জিপিএ | প্রযোজ্য নয় — একাদশে ভর্তি নেই / Not applicable — there is no Class XI intake |
| এসএসসির পর ভর্তির সুযোগ | নেই / None |
| যে শ্রেণিতে ভর্তি হয় | ৭ম শ্রেণি / Class VII |
পাবনা ক্যাডেট কলেজ-এ কীভাবে ভর্তি হয়
পাবনা ক্যাডেট কলেজ-এ ভর্তি হয় ৭ম শ্রেণিতে, একটি জাতীয় ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে — কোনো একটি কলেজে আলাদা করে নয়। আবেদন হয় cadetcollegeadmission.army.mil.bd ঠিকানায়, আর সেখানেই পছন্দের ক্যাডেট কলেজের ক্রম দিতে হয়।
নির্বাচন কয়েক ধাপে হয় — প্রথমে লিখিত পরীক্ষা, উত্তীর্ণদের জন্য মৌখিক পরীক্ষা এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষা। প্রতিটি ধাপ আলাদা করে উতরাতে হয়, একটিতে বাদ পড়লে পরেরটিতে যাওয়া যায় না।
আবেদন করতে হয় সব ক্যাডেট কলেজের জন্য একসঙ্গে, একটি কেন্দ্রীয় আবেদনে — কোনো একটি কলেজে আলাদা করে নয়। নির্বাচিত হলে কোন কলেজে জায়গা হবে তা নির্ধারিত হয় ফলাফল ও পছন্দের ভিত্তিতে।
২০০৩ সাল থেকে সব ক্যাডেট কলেজ জাতীয় পাঠ্যক্রমের ইংরেজি ভার্সনে পড়ায়, অর্থাৎ ভর্তির পর পাঠ্যবই জাতীয় কারিকুলামেরই — ইংরেজি মাধ্যমে।
| শর্ত | বিবরণ |
|---|---|
| যে শ্রেণিতে ভর্তি | ৭ম শ্রেণি — ক্যাডেট কলেজে ভর্তির একমাত্র প্রবেশপথ |
| আবেদনের ঠিকানা | cadetcollegeadmission.army.mil.bd |
| নির্বাচনের ধাপ | লিখিত পরীক্ষা → মৌখিক পরীক্ষা → স্বাস্থ্য পরীক্ষা |
| বয়স ও অন্যান্য শর্ত | প্রতি বছরের ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত — এখানে লেখা হয়নি, কারণ শর্তগুলো বছরে বদলায় এবং আমরা চলতি বিজ্ঞপ্তির লেখা পড়তে পারিনি |
| একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি | নেই — কেন্দ্রীয় একাদশ ভর্তির তালিকায় ক্যাডেট কলেজ নেই |
কেন পাবনা ক্যাডেট কলেজ বেছে নেবে
- জালালপুরে ৩৮.২৫৫ একরের আবাসিক ক্যাম্পাস
- ঢাকা-পাবনা মহাসড়কের পাশে
- মটো — “Perseverance is Success”
- তিনটি হাউস: ভাসানী, তিতুমীর ও সিরাজী
সাধারণ জিজ্ঞাসা
না — ভর্তি কেবল ৭ম শ্রেণিতে, আর সেই ক্যাডেটরাই দ্বাদশ পর্যন্ত পড়ে। একাদশে ভর্তির জন্য কেন্দ্রীয় আবেদনভুক্ত কলেজগুলোই বিকল্প।
কলেজের নিজস্ব পাতা অনুযায়ী ছয় শ্রেণিতে মোট ৩১৪ জন। এটি মোট সংখ্যা, বার্ষিক ভর্তির সংখ্যা নয় — ছয় দিয়ে ভাগ করে বার্ষিক আসন বের করা যায় না, কারণ প্রতি শ্রেণিতে সমান সংখ্যক ক্যাডেট থাকার কথা কোথাও বলা নেই।
ভাসানী, তিতুমীর ও সিরাজী — তিনটি হাউস। নামগুলো এই অঞ্চলের রাজনৈতিক ও সাহিত্যিক ইতিহাসের ব্যক্তিত্বদের নামে রাখা।
হ্যাঁ — রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল। ১৯৮১ সালের ১৫ মে দায়িত্ব হস্তান্তর হয় এবং ৭ আগস্ট কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। আগের স্কুলের ১৭০ জন ছাত্রকে নিয়েই ক্যাডেট কলেজের যাত্রা শুরু।
আমাদের সাথে যুক্ত থাকো
পড়াশোনার আপডেট, সাজেশন ও প্রশ্নোত্তর সবার আগে পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে যুক্ত হও।






















