মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

আসন শিফট-ভার্সন-গ্রুপ ধরে আলাদা, আর সংখ্যাটি সম্ভাবনার মাপকাঠি নয়।

একাদশ শ্রেণির আসন — কীভাবে গোনা হয়, কীভাবে ভাগ হয়

To read this in English, visit: Class XI Seats — How They Are Counted and Split

“কলেজটিতে কত আসন?” — প্রশ্নটা যতটা সহজ শোনায়, উত্তরটা ততটা নয়। একাদশ শ্রেণিতে আসন কখনোই কলেজের একটি একক সংখ্যা নয়; এটি শিফট, ভার্সন ও গ্রুপ ধরে ভাগ করা অনেকগুলো ছোট সংখ্যার সমষ্টি।

এই পার্থক্যটা বোঝা দরকার, কারণ আবেদনে তুমি কলেজ বেছে নাও না — বেছে নাও কলেজ, শিফট, ভার্সন ও গ্রুপের একটি নির্দিষ্ট সংমিশ্রণ। প্রতিযোগিতা হয় ঠিক সেই সংমিশ্রণটির আসনের বিপরীতে, পুরো কলেজের বিপরীতে নয়।

একটি আসন আসলে কী

প্রতিটি কলেজের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনুমোদিত সংখ্যা নির্ধারিত থাকে, আর সেটি ভাঙা থাকে চারটি স্তরে। একই কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের সকাল শিফটের বাংলা ভার্সন আর দিবা শিফটের ইংরেজি ভার্সন সম্পূর্ণ আলাদা দুটি হিসাব — আবেদনপত্রে দুটি আলাদা এন্ট্রি, ফলাফলেও দুটি আলাদা মেধাক্রম।

স্তরযা আলাদা করে
কলেজপ্রতিষ্ঠানটি নিজেই — সরকারি, বেসরকারি বা প্রকল্পভুক্ত
শিফটসকাল, দিবা বা সন্ধ্যা — শ্রেণিকক্ষ ভাগাভাগির ব্যবস্থা
ভার্সনবাংলা বা ইংরেজি মাধ্যমে পাঠদান
গ্রুপবিজ্ঞান, মানবিক বা ব্যবসায় শিক্ষা

তাই “আসন ফাঁকা আছে” কথাটির অর্থ সব সময় “তোমার জন্য ফাঁকা আছে” নয়। কলেজে মানবিকে আসন খালি থাকতেই পারে যখন বিজ্ঞানের সকাল শিফট অনেক আগেই পূর্ণ।

আসন যেভাবে ভাগ হয়

প্রতিটি সংমিশ্রণের আসন দুই ভাগে যায়। বড় অংশটি মেধার ভিত্তিতে বণ্টিত হয় — প্রকাশিত নীতিমালা অনুযায়ী মোট আসনের ৯৩%। বাকি ৭% সংরক্ষিত থাকে কোটার জন্য, যার ভেতরে মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৫% এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন কোটা ২%।

কোটার আসন কেউ দাবি না করলে সেগুলো ফেলে রাখা হয় না — মেধা তালিকায় ফিরে যায়। এই কারণেই একটি কলেজে চূড়ান্তভাবে মেধায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায়ই কাগজে-কলমে ধরা মেধা কোটার চেয়ে বেশি হয়।

একই কারণে নিশ্চায়ন না করা প্রার্থীর আসনও পরের ধাপে ফিরে আসে। ভর্তির মৌসুমে আসন সংখ্যা তাই স্থির নয়, প্রতিটি ধাপ শেষে পুনর্গঠিত হয়।

আসন সংখ্যা দিয়ে যা বোঝা যায় না

শিক্ষার্থীরা প্রায়ই আসন সংখ্যাকে সম্ভাবনার মাপকাঠি ধরে নেয় — বেশি আসন মানে সহজ, কম আসন মানে কঠিন। বাস্তবে সংখ্যাটি ভগ্নাংশের কেবল হর; লব হলো ওই সংমিশ্রণে কতজন আবেদন করেছে, আর সেটি আগে থেকে জানার উপায় নেই।

  • ছোট একটি কলেজের অল্প আসনে প্রতিযোগিতা কম হতে পারে, কারণ আবেদনকারীও কম।
  • নামী কলেজের বড় আসনসংখ্যা মোটেও সহজ নয় — সেখানে আবেদন পড়ে আসনের কয়েক গুণ।
  • সন্ধ্যা বা দ্বিতীয় শিফটে সাধারণত চাপ কম থাকে, যদিও পাঠ্যক্রম ও পরীক্ষা একই।
  • গত বছরের ভর্তি হওয়া শেষ শিক্ষার্থীর জিপিএ আসন সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি কাজের তথ্য।

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি নীতিমালা প্রকাশিত হয়েছে ২৪ আগস্ট ২০২৬, তবু বোর্ড পরবর্তী বিজ্ঞপ্তিতে তারিখ বা সংখ্যা বদলাতে পারে। আবেদনের আগে xiclassadmission.gov.bd-এ প্রকাশিত সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তি মিলিয়ে নাও। এই পাতার তথ্য সর্বশেষ যাচাই করা হয়েছে ২৮ আগস্ট ২০২৬।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

আমাদের সাথে যুক্ত থাকো

পড়াশোনার আপডেট, সাজেশন ও প্রশ্নোত্তর সবার আগে পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে যুক্ত হও।