মুরারিচাঁদ কলেজ, সিলেট ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২৬-২৭ — আসন, জিপিএ ও আবেদন
To read this in English, visit: Murari Chand College, Sylhet Admission 2026-27 — Seats, GPA and How to Apply
মুরারিচাঁদ কলেজ, সবার কাছে এমসি কলেজ নামে পরিচিত, সিলেটের প্রাচীনতম ও সবচেয়ে পরিচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। টিলাগড়ে বিস্তৃত এর ক্যাম্পাসটি দেশের সবচেয়ে বড় কলেজ ক্যাম্পাসগুলোর একটি।
এমসি কলেজ — এক নজরে
| তথ্য | বিবরণ |
|---|---|
| প্রতিষ্ঠানের নাম | মুরারিচাঁদ কলেজ, সিলেট |
| EIIN | 130457 |
| ঠিকানা | টিলাগড়, সিলেট |
| শিক্ষা বোর্ড | সিলেট শিক্ষা বোর্ড |
| ধরন | সরকারি |
| শিক্ষার্থী | সহশিক্ষা |
| ভর্তি পদ্ধতি | কেন্দ্রীয় অনলাইন আবেদন |
এমসি কলেজ ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২৬-২৭ — এখন কী অবস্থা
এই পাতায় আসন ও জিপিএ দুটিই অনুপস্থিত, কারণ কোনোটিই যাচাইযোগ্য সূত্রে পাওয়া যায়নি। সিলেটের কলেজগুলোর জন্য আসনভিত্তিক কোনো সংবাদ প্রতিবেদন আমরা পাইনি, আর কলেজের নিজস্ব বিজ্ঞপ্তিও পড়া যায়নি।
🚨 নাম নিয়ে একটি বিভ্রান্তি এড়ানো দরকার। সিলেটে দুটি আলাদা সরকারি কলেজ আছে যাদের সংক্ষিপ্ত নাম কাছাকাছি — মুরারিচাঁদ কলেজ (এমসি কলেজ) এবং সরকারি মদন মোহন কলেজ। দুটির EIIN আলাদা, ক্যাম্পাসও আলাদা। আবেদনপত্রে কলেজ যোগ করার আগে EIIN মিলিয়ে নাও।
মুরারিচাঁদ কলেজ, সিলেট সম্পর্কে
সিলেট শিক্ষা বোর্ডের অধীনে চারটি জেলা — সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ। এই পুরো এলাকার ভালো ফল করা শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ একাদশে ভর্তির সময় এই কলেজটির দিকে তাকায়, তাই প্রতিযোগিতা কেবল শহরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না।
প্রবাসী পরিবারের সন্তানদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ সিলেটে পড়াশোনা করে, আর সেই কারণেই এখানকার ভর্তি চিত্রে ইংরেজি ভার্সনের চাহিদা দেশের গড়ের চেয়ে বেশি। কোন কলেজে কোন ভার্সন চালু, সেটি আবেদনের আগে দেখে নেওয়া বিশেষভাবে দরকারি।
এমসি কলেজ আসন সংখ্যা
| গ্রুপ / বিভাগ | আসন | মন্তব্য |
|---|---|---|
| সব বিভাগ | not published | — |
সংখ্যাগুলো ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের; নতুন বিজ্ঞপ্তি এলে বদলাতে পারে।
এমসি কলেজ-এ ভর্তি হতে কত পয়েন্ট লাগে
নিচের জিপিএ ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ন্যূনতম যোগ্যতা — প্রকৃত কাট-অফ নয়।
| গ্রুপ / বিভাগ | ন্যূনতম জিপিএ |
|---|---|
| সব বিভাগ | not published |
এমসি কলেজ-এ কীভাবে আবেদন করবে
মুরারিচাঁদ কলেজ, সিলেট-এ ভর্তি হয় কেন্দ্রীয় অনলাইন পদ্ধতিতে — আলাদা কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেই। xiclassadmission.gov.bd-এ একটি আবেদনেই তোমার পছন্দের কলেজগুলো ক্রম অনুযায়ী দিতে হয়, আর নির্বাচন হয় এসএসসির ফল ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে।
তাই এই কলেজে ভর্তির সম্ভাবনা বাড়ানোর একমাত্র উপায় হলো পছন্দক্রম বুদ্ধি করে সাজানো: যে কলেজে সবচেয়ে বেশি যেতে চাও সেটি এক নম্বরে রাখো, আর তালিকার শেষ দিকে এমন কলেজ রাখো যেখানে তোমার জিপিএতে ভর্তি প্রায় নিশ্চিত।
- xiclassadmission.gov.bd-এ গিয়ে এসএসসির রোল, বোর্ড ও পাসের সাল দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করো।
- পছন্দের তালিকায় এই কলেজের নাম, শিফট ও গ্রুপ আলাদা আলাদা এন্ট্রি হিসেবে যোগ করো।
- মোবাইল ব্যাংকিংয়ে আবেদন ফি পরিশোধ করে আবেদন চূড়ান্ত করো।
- ফল প্রকাশের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিশ্চায়ন (নিশ্চিতকরণ) করো, নইলে নির্বাচন বাতিল হয়ে যাবে।
কেন এমসি কলেজ বেছে নেবে
- সিলেটের প্রাচীনতম ও সবচেয়ে পরিচিত কলেজ
- দেশের বৃহত্তম কলেজ ক্যাম্পাসগুলোর একটি
- সিলেট বোর্ডের চার জেলা থেকেই শিক্ষার্থী আসে
- কেন্দ্রীয় ভর্তি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত
সাধারণ জিজ্ঞাসা
না, সম্পূর্ণ আলাদা দুটি প্রতিষ্ঠান — আলাদা ক্যাম্পাস, আলাদা EIIN। সংক্ষিপ্ত নাম কাছাকাছি হওয়ায় অনলাইনে খোঁজার সময় গুলিয়ে যাওয়া সহজ। আবেদনপত্রে কলেজ যোগ করার আগে EIIN মিলিয়ে নেওয়াই একমাত্র নিশ্চিত উপায়।
যাচাইযোগ্য কোনো সূত্রে আমরা এটি পাইনি, তাই কোনো সংখ্যা লিখিনি। কলেজের নিজস্ব ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে বিভাগভিত্তিক শর্ত থাকে; আবেদনের আগে সেটি দেখে নাও।
যায় — কেন্দ্রীয় আবেদনে জেলার সীমা নেই, আর মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ থেকে নিয়মিতই আবেদন আসে। থাকার ব্যবস্থাটি আগেভাগে ভেবে রাখা দরকার, কারণ নির্বাচিত হওয়ার পর সময় খুব কম থাকে।
কোন কলেজে কোন ভার্সন চালু তা কলেজের নিজস্ব বিজ্ঞপ্তিতে এবং কেন্দ্রীয় পোর্টালে কলেজ খুঁজলে দেখা যায়। আমরা এখানে অনুমান করে লিখছি না — আবেদনপত্রে ভার্সন আলাদা করে বাছতে হয়, তাই ভুল অনুমান একটি পছন্দ নষ্ট করে দিতে পারে।
আমাদের সাথে যুক্ত থাকো
পড়াশোনার আপডেট, সাজেশন ও প্রশ্নোত্তর সবার আগে পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে যুক্ত হও।






















