সারাংশ লেখা হয় গদ্যাংশ থেকে এবং তাতে মূল বক্তব্য সংক্ষেপে থাকে; সারমর্ম লেখা হয় পদ্যাংশ থেকে এবং তাতে কবিতার অন্তর্নিহিত ভাব গদ্যে প্রকাশ করতে হয়।
বাংলা · সারাংশ ও সারমর্ম
সারমর্ম লেখার নিয়ম
সারমর্ম লেখার নিয়ম — কবিতার ভাব গদ্যে প্রকাশের পদ্ধতি ও সারাংশের সঙ্গে পার্থক্য।
সারাংশ
সারমর্ম হলো কবিতা বা পদ্যাংশের মূল ভাব গদ্যে, নিজের ভাষায়, সংক্ষেপে লেখা। এখানে কবিতার শব্দ নয়, কবির বক্তব্যটুকুই গুরুত্বপূর্ণ।
ব্যাখ্যা
কবিতা রূপক ও চিত্রকল্পে ভরা থাকে, তাই প্রথম কাজ হলো রূপকের আড়ালের অর্থটি বোঝা। যেমন কোনো কবিতায় “অন্ধকার” বলতে অজ্ঞতা বা দুঃসময় বোঝানো হতে পারে; আক্ষরিক অর্থ ধরে নিলে সারমর্ম ভুল হয়ে যাবে।
দ্বিতীয় ধাপে পুরো পদ্যাংশের একটি কেন্দ্রীয় বার্তা খুঁজে বের করতে হয়। প্রতিটি চরণের আলাদা ব্যাখ্যা নয়, সব চরণ মিলে কবি যা বলতে চেয়েছেন সেটিই সারমর্ম।
তৃতীয় ধাপে তা গদ্যে লিখতে হয় — এক অনুচ্ছেদে, সহজ ভাষায়। কবিতার পঙ্ক্তি হুবহু তুলে দেওয়া যাবে না এবং ছন্দ বা অলংকার রক্ষার চেষ্টাও করতে হবে না।
মন্তব্য
সারাংশ ও সারমর্মের পার্থক্য মনে রাখা জরুরি — একটি গদ্যের সংক্ষেপ, অন্যটি পদ্যের ভাব। দুটিতেই নিজের ভাষা ব্যবহারই মূল শর্ত।
উপযোগী শ্রেণি: ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম, নবম-দশম শ্রেণি।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
না। কবিতার পঙ্ক্তি হুবহু তুলে দিলে সেটি আর সারমর্ম থাকে না। ভাবটি নিজের গদ্যভাষায় প্রকাশ করতে হয়।
সাধারণত মূল পদ্যাংশের এক-তৃতীয়াংশের কাছাকাছি, এক অনুচ্ছেদে। ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ পাওয়াই আসল শর্ত, শব্দসংখ্যা নয়।
আরও সারাংশ ও সারমর্ম পড়ো
সারাংশ ও সারমর্ম-এর পূর্ণ তালিকা ও বাংলা লেখার অন্যান্য অংশ এক জায়গায়।
আমাদের সাথে যুক্ত থাকো
পড়াশোনার আপডেট, সাজেশন ও প্রশ্নোত্তর সবার আগে পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে যুক্ত হও।






















