সাধারণ নিয়ম হলো মূল অংশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ দৈর্ঘ্য। মূল অংশ ১৫০ শব্দের হলে সারাংশ ৫০ শব্দের কাছাকাছি হওয়াই যথাযথ।
বাংলা · সারাংশ ও সারমর্ম
সারাংশ লেখার নিয়ম
সারাংশ লেখার নিয়ম — ধাপে ধাপে পদ্ধতি, দৈর্ঘ্য ও সাধারণ ভুল এড়ানোর কৌশল।
সারাংশ
সারাংশ হলো কোনো গদ্যাংশের মূল বক্তব্য নিজের ভাষায় সংক্ষেপে লেখা। মূল রচনার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ দৈর্ঘ্যে, এক অনুচ্ছেদে এবং উত্তম পুরুষ বাদ দিয়ে অন্য পুরুষে লিখতে হয়।
ব্যাখ্যা
প্রথম ধাপ হলো মূল অংশটি অন্তত দুবার মন দিয়ে পড়া। প্রথম পাঠে সামগ্রিক ভাব বোঝা যায়, দ্বিতীয় পাঠে প্রতিটি বাক্যের ভূমিকা স্পষ্ট হয়। এরপর কোন বাক্যগুলো মূল বক্তব্য বহন করছে আর কোনগুলো কেবল উদাহরণ বা অলংকার, তা আলাদা করে চিহ্নিত করতে হয়।
দ্বিতীয় ধাপে বাদ দিতে হয় পুনরাবৃত্তি, দৃষ্টান্ত, উপমা, উদ্ধৃতি ও অলংকারবহুল বর্ণনা। এগুলো লেখাকে সুন্দর করে ঠিকই, কিন্তু মূল ভাব বহন করে না। যা থাকবে তা হলো লেখকের মূল বক্তব্য ও তার যুক্তির কাঠামো।
তৃতীয় ধাপে নিজের ভাষায় এক অনুচ্ছেদে লিখতে হয়। মূল লেখার বাক্য হুবহু তুলে দেওয়া চলবে না; তাতে সারাংশ হয় না, উদ্ধৃতি হয়। ভাষা হবে সহজ, সরল ও সরাসরি — এবং সারাংশের কোনো আলাদা শিরোনাম দেওয়া হয় না।
মন্তব্য
অনুশীলনই এখানে একমাত্র পথ। প্রতিদিন একটি করে অনুচ্ছেদের সারাংশ লিখে মূল লেখার সঙ্গে মিলিয়ে দেখলে অল্প দিনেই দক্ষতা তৈরি হয়ে যায়।
উপযোগী শ্রেণি: ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম, নবম-দশম শ্রেণি।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
না। উদ্ধৃতি, উপমা, দৃষ্টান্ত ও পুনরাবৃত্তি বাদ দিতে হয়; কেবল মূল বক্তব্য ও তার যুক্তি নিজের ভাষায় রাখতে হয়।
না, সারাংশের আলাদা কোনো শিরোনাম হয় না। এটি এক অনুচ্ছেদে লেখা হয় এবং সরাসরি মূল বক্তব্য দিয়ে শুরু হয়।
আরও সারাংশ ও সারমর্ম পড়ো
সারাংশ ও সারমর্ম-এর পূর্ণ তালিকা ও বাংলা লেখার অন্যান্য অংশ এক জায়গায়।
আমাদের সাথে যুক্ত থাকো
পড়াশোনার আপডেট, সাজেশন ও প্রশ্নোত্তর সবার আগে পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে যুক্ত হও।






















