মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

বাংলা · বাংলা ব্যাকরণ

সমাস কাকে বলে — প্রকারভেদ ও ব্যাসবাক্য

সমাসের সংজ্ঞা, ছয় প্রকারভেদ, ব্যাসবাক্য ও সমস্তপদ — সমাস নির্ণয়ের নিয়মসহ।

সংজ্ঞা

পরস্পর অর্থসম্বন্ধযুক্ত দুই বা তার বেশি পদ মিলিত হয়ে যখন একটি নতুন পদ তৈরি করে, তাকে সমাস বলে। সমাসের মূল উদ্দেশ্য বাক্যকে সংক্ষিপ্ত ও শ্রুতিমধুর করা।

বিস্তারিত আলোচনা

"নীল যে আকাশ" বললে তিনটি পদ লাগে, কিন্তু "নীলাকাশ" বললে একটিতেই কাজ হয়। এই সংক্ষেপণই সমাসের কাজ। সমাসে যে পদগুলো মিলিত হয় তাদের বলে সমস্যমান পদ, মিলিত নতুন পদটিকে বলে সমস্তপদ, আর সমস্তপদকে ভেঙে যে বাক্যাংশ পাওয়া যায় তাকে বলে ব্যাসবাক্য বা সমাসবাক্য।

সমাসের দুটি অংশ থাকে — পূর্বপদ ও পরপদ বা উত্তরপদ। কোন পদটি অর্থের দিক থেকে প্রধান, তার ওপরেই সমাসের শ্রেণি নির্ভর করে। পূর্বপদ প্রধান হলে অব্যয়ীভাব, পরপদ প্রধান হলে তৎপুরুষ, উভয় পদ প্রধান হলে দ্বন্দ্ব, আর কোনো পদই প্রধান না হয়ে তৃতীয় কোনো অর্থ বোঝালে বহুব্রীহি সমাস হয়।

বাংলা সমাস প্রধানত ছয় প্রকার — দ্বন্দ্ব, কর্মধারয়, তৎপুরুষ, বহুব্রীহি, দ্বিগু ও অব্যয়ীভাব। সমাস নির্ণয়ের সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি হলো আগে ব্যাসবাক্য লেখা, তারপর দেখা কোন পদ প্রধান। ব্যাসবাক্য ছাড়া সমাস নির্ণয় করতে গেলে প্রায়ই ভুল হয়।

মনে রাখার কথা

সমাসে শব্দের সঙ্গে শব্দের মিলন, আর সন্ধিতে ধ্বনির সঙ্গে ধ্বনির — এই পার্থক্যটি সবার আগে পাকা করো।

উপযোগী শ্রেণি: নবম, দশম, একাদশ, দ্বাদশ শ্রেণি।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

আরও বাংলা ব্যাকরণ পড়ো

বাংলা ব্যাকরণ-এর পূর্ণ তালিকা ও বাংলা লেখার অন্যান্য অংশ এক জায়গায়।

আমাদের সাথে যুক্ত থাকো

পড়াশোনার আপডেট, সাজেশন ও প্রশ্নোত্তর সবার আগে পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে যুক্ত হও।