মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

বাংলা · বাংলা ব্যাকরণ

লিঙ্গ — প্রকারভেদ ও স্ত্রীলিঙ্গ গঠনের নিয়ম

পুং, স্ত্রী, উভয় ও ক্লীবলিঙ্গের পরিচয় এবং স্ত্রীবাচক শব্দ গঠনের নিয়ম উদাহরণসহ।

সংজ্ঞা

যে শব্দ দিয়ে পুরুষ, স্ত্রী, উভয় বা কোনোটিই নয় — এই ভেদ বোঝানো হয়, তাকে লিঙ্গ বলে। বাংলায় লিঙ্গ চার প্রকার।

বিস্তারিত আলোচনা

বাংলা লিঙ্গ চার প্রকার। পুংলিঙ্গে পুরুষজাতি বোঝায় — বালক, পিতা, রাজা, সিংহ। স্ত্রীলিঙ্গে স্ত্রীজাতি — বালিকা, মাতা, রানি, সিংহী। উভয় লিঙ্গে নারী-পুরুষ উভয়কেই বোঝায় — শিশু, সন্তান, মানুষ, ডাক্তার, শিক্ষার্থী। আর ক্লীবলিঙ্গে প্রাণহীন বস্তু বোঝায় — ঘর, বই, গাছ, পাথর।

পুংলিঙ্গ থেকে স্ত্রীলিঙ্গ গঠনের কয়েকটি নিয়ম আছে। আ যোগে — ছাত্র থেকে ছাত্রী নয়, বরং সুত থেকে সুতা, বৃদ্ধ থেকে বৃদ্ধা। ঈ যোগে — কিশোর থেকে কিশোরী, ছাত্র থেকে ছাত্রী, নর্তক থেকে নর্তকী। ইনী বা নী যোগে — মালি থেকে মালিনী, হাতি থেকে হাতিনী। আনী যোগে — ইন্দ্র থেকে ইন্দ্রাণী, চন্দ্র থেকে চন্দ্রাণী।

কিছু শব্দে স্ত্রীলিঙ্গ গঠিত হয় সম্পূর্ণ আলাদা শব্দ দিয়ে — পিতা থেকে মাতা, ভাই থেকে বোন, রাজা থেকে রানি, বর থেকে কনে, পুরুষ থেকে নারী। আবার কিছু শব্দের কোনো স্ত্রীবাচক রূপ নেই — কবি, সভাপতি, ডাক্তার। এসব ক্ষেত্রে প্রয়োজনে "মহিলা" বা "নারী" শব্দ আগে বসানো হয়।

মনে রাখার কথা

উভয় লিঙ্গ ও ক্লীবলিঙ্গের পার্থক্য মনে রাখো — প্রাণী হলে উভয়, প্রাণহীন হলে ক্লীব।

উপযোগী শ্রেণি: নবম, দশম, একাদশ, দ্বাদশ শ্রেণি।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

আরও বাংলা ব্যাকরণ পড়ো

বাংলা ব্যাকরণ-এর পূর্ণ তালিকা ও বাংলা লেখার অন্যান্য অংশ এক জায়গায়।

আমাদের সাথে যুক্ত থাকো

পড়াশোনার আপডেট, সাজেশন ও প্রশ্নোত্তর সবার আগে পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে যুক্ত হও।