যে পদ দিয়ে ব্যক্তি, বস্তু, স্থান, জাতি, সমষ্টি, গুণ বা ভাবের নাম বোঝায়, তাকে বিশেষ্য পদ বলে। একে নামপদও বলা হয়।
বাংলা · বাংলা ব্যাকরণ
বিশেষ্য পদ — ছয় প্রকার ও উদাহরণ
বিশেষ্য পদের সংজ্ঞা এবং সংজ্ঞাবাচক, জাতিবাচক, বস্তুবাচক, সমষ্টিবাচক, গুণবাচক ও ভাববাচক বিশেষ্য।
সংজ্ঞা
যে পদ দিয়ে কোনো ব্যক্তি, বস্তু, স্থান, জাতি, সমষ্টি, গুণ বা ভাবের নাম বোঝায়, তাকে বিশেষ্য পদ বলে। বিশেষ্য ছয় প্রকার।
বিস্তারিত আলোচনা
বিশেষ্য পদ বাক্যে নাম বোঝায়, তাই একে নামপদও বলা হয়। ছয় প্রকারের প্রথমটি সংজ্ঞাবাচক বা নামবাচক বিশেষ্য — নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি, স্থান বা বস্তুর নাম, যেমন রবীন্দ্রনাথ, ঢাকা, পদ্মা। দ্বিতীয়টি জাতিবাচক বিশেষ্য, যা একটি গোটা জাতি বা শ্রেণিকে বোঝায় — মানুষ, পাখি, গরু, নদী।
তৃতীয়টি বস্তুবাচক বা দ্রব্যবাচক বিশেষ্য, যা মাপা বা ওজন করা যায় এমন বস্তু বোঝায় — পানি, লোহা, চিনি, দুধ। চতুর্থটি সমষ্টিবাচক বিশেষ্য, যা একই জাতীয় বহু কিছুর সমষ্টি বোঝায় — সভা, জনতা, বহর, ঝাঁক, শ্রেণি। এই দুটিকে পরীক্ষায় প্রায়ই গুলিয়ে ফেলা হয়, তাই উদাহরণ দিয়ে আলাদা করে মনে রাখা ভালো।
পঞ্চম প্রকার গুণবাচক বিশেষ্য, যা কোনো গুণ বা অবস্থার নাম বোঝায় — সততা, তারুণ্য, মধুরতা, সৌন্দর্য। আর ষষ্ঠ প্রকার ভাববাচক বা ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য, যা কাজের নাম বোঝায় — গমন, দর্শন, শয়ন, পড়া, খাওয়া। গুণবাচক ও ভাববাচক বিশেষ্য বিমূর্ত, তাই এদের ছুঁয়ে দেখা যায় না।
মনে রাখার কথা
নামবাচক নির্দিষ্ট একজনকে বোঝায়, জাতিবাচক গোটা শ্রেণিকে — এই দুইয়ের ফারাক সবচেয়ে বেশি পরীক্ষায় আসে।
উপযোগী শ্রেণি: নবম, দশম, একাদশ, দ্বাদশ শ্রেণি।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
ছয় প্রকার — সংজ্ঞাবাচক, জাতিবাচক, বস্তুবাচক, সমষ্টিবাচক, গুণবাচক এবং ভাববাচক বা ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য। এর মধ্যে শেষ দুটি বিমূর্ত, অর্থাৎ এদের ছুঁয়ে দেখা যায় না।
গুণবাচক বিশেষ্য গুণ বা অবস্থার নাম বোঝায় যেমন সততা, সৌন্দর্য; আর ভাববাচক বিশেষ্য কাজের নাম বোঝায় যেমন গমন, পড়া, দর্শন।
আরও বাংলা ব্যাকরণ পড়ো
বাংলা ব্যাকরণ-এর পূর্ণ তালিকা ও বাংলা লেখার অন্যান্য অংশ এক জায়গায়।
আমাদের সাথে যুক্ত থাকো
পড়াশোনার আপডেট, সাজেশন ও প্রশ্নোত্তর সবার আগে পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে যুক্ত হও।






















