বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রেখে তার গঠন বা প্রকার বদলে দেওয়াকে বাক্য রূপান্তর বলে — যেমন সরল বাক্যকে জটিল বাক্যে পরিণত করা।
বাংলা · বাংলা ব্যাকরণ
বাক্য রূপান্তর — সরল, জটিল ও যৌগিক বাক্যে পরিবর্তন
বাক্য রূপান্তরের নিয়ম — গঠনগত ও অর্থগত পরিবর্তন এবং অর্থ অক্ষুণ্ন রাখার শর্ত।
সংজ্ঞা
বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রেখে তার গঠন বা প্রকার বদলে দেওয়াকে বাক্য রূপান্তর বা বাক্য পরিবর্তন বলে।
বিস্তারিত আলোচনা
গঠনগত রূপান্তরে সরল, জটিল ও যৌগিক বাক্য একে অন্যে বদলানো হয়। সরলকে জটিল করতে হলে একটি অংশকে খণ্ডবাক্যে পরিণত করে "যে", "যদি", "যখন" জাতীয় সংযোজক বসাতে হয় — "পরিশ্রমী ছেলেটি সফল হয়েছে" হয় "যে ছেলেটি পরিশ্রমী, সে সফল হয়েছে"। যৌগিক করতে হলে দুটি স্বাধীন বাক্যকে "এবং", "কিন্তু", "তাই" দিয়ে জুড়তে হয়।
অর্থগত রূপান্তরও পরীক্ষায় নিয়মিত আসে। অস্তিবাচক থেকে নেতিবাচকে যেতে বিপরীত অর্থের শব্দ ও একটি না-বাচক পদ ব্যবহার করতে হয় — "সে সৎ" হয় "সে অসৎ নয়"। প্রশ্নবোধকে বদলাতে হলে প্রশ্নবাচক শব্দ যোগ করে বিস্ময় বা জোর প্রকাশ করা হয় — "লোকটি খুব গরিব" হয় "লোকটি কত গরিব!"।
রূপান্তরের একটিই কঠোর শর্ত — মূল অর্থ কোনোভাবেই বদলানো যাবে না। "সে সৎ" আর "সে অসৎ নয়" একই কথা বলছে, তাই রূপান্তরটি শুদ্ধ; কিন্তু "সে সৎ নয়" লিখলে অর্থ উল্টে যায়। উত্তর লেখার পর মূল বাক্য ও রূপান্তরিত বাক্য পাশাপাশি পড়ে অর্থ মিলিয়ে নেওয়াই নিরাপদ অভ্যাস।
মনে রাখার কথা
রূপান্তরের পর মূল বাক্যের পাশে নতুন বাক্যটি পড়ে অর্থ মিলে যাচ্ছে কি না যাচাই করে নাও।
উপযোগী শ্রেণি: নবম, দশম, একাদশ, দ্বাদশ শ্রেণি।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
বাক্যের একটি অংশকে খণ্ডবাক্যে পরিণত করে "যে", "যদি", "যখন" জাতীয় সংযোজক অব্যয় বসাতে হয়, আর মূল অর্থ অক্ষুণ্ন রাখতে হয়।
বিপরীত অর্থের শব্দ বসিয়ে তার সঙ্গে একটি না-বাচক পদ যোগ করতে হয় — "সে সৎ" বাক্যটি হয় "সে অসৎ নয়"।
আরও বাংলা ব্যাকরণ পড়ো
বাংলা ব্যাকরণ-এর পূর্ণ তালিকা ও বাংলা লেখার অন্যান্য অংশ এক জায়গায়।
আমাদের সাথে যুক্ত থাকো
পড়াশোনার আপডেট, সাজেশন ও প্রশ্নোত্তর সবার আগে পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে যুক্ত হও।






















