নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান বই
To read this in English, visit: Class 9-10 Physics Book
পদার্থবিজ্ঞানে সবচেয়ে সাধারণ ভুলটি হলো সূত্র আগে মুখস্থ করা এবং ধারণা পরে বোঝার আশা রাখা। বাস্তবে ক্রমটি উল্টো — ধারণা বুঝলে সূত্র নিজে থেকেই অর্থবহ হয়ে ওঠে, আর তখন সেটি ভুলে গেলেও পুনর্গঠন করা যায়।
বইটির অধ্যায়গুলো
বইটি ভৌত রাশি ও পরিমাপ দিয়ে শুরু করে গতি, বল, কাজ ও ক্ষমতা, পদার্থের অবস্থা, তাপ, তরঙ্গ ও শব্দ, আলো, স্থির ও চল বিদ্যুৎ, চুম্বক, আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান ও জীবন বাঁচাতে বিজ্ঞান পর্যন্ত যায়। ক্রমটি ইচ্ছাকৃত: প্রতিটি অধ্যায় আগেরটির ধারণা ব্যবহার করে, তাই অধ্যায় বাদ দিয়ে এগোলে পরেরটিতে আটকে যেতে হয়।
বইটি ডাউনলোড করো
বিজ্ঞান বিভাগের মূল পাঠ্যবই, দুই ভার্সনেই।
বাংলা ভার্সন ও ইংলিশ ভার্সন আলাদা বই — নিজের মাধ্যম অনুযায়ী সঠিকটি নামাও।
সূত্র মুখস্থের ফাঁদ
সূত্রের প্রতিটি রাশি কী বোঝায় এবং কোন এককে মাপা হয় তা না জানলে সূত্রটি নিছক অক্ষরের সারি। পরীক্ষায় প্রশ্ন যখন সামান্য ঘুরিয়ে করা হয় — অজানা রাশিটি বদলে দেওয়া হয় — তখন মুখস্থ সূত্র কাজে আসে না। প্রতিটি সূত্রের পাশে রাশিগুলোর অর্থ ও একক লিখে রাখার অভ্যাস এই সমস্যাটি একেবারেই দূর করে দেয়।
ব্যবহারিক খাতা অবহেলা কোরো না
- ব্যবহারিক নম্বর তুলনামূলক সহজে পাওয়া যায় এবং ফলাফলে যোগ হয়।
- পরীক্ষার আগের সপ্তাহে গোটা খাতা লিখতে বসলে ভুল বাড়ে।
- পরীক্ষণ করার দিনেই খাতায় তুলে ফেলো — তখন সব মনে থাকে।
- চিত্র ও লেখচিত্র নিজে আঁকো, কারও থেকে নকল কোরো না।
আরও পড়ো
সাধারণ জিজ্ঞাসা
ধারণা বোঝার পরে, আগে নয়। প্রতিটি সূত্রের রাশিগুলোর অর্থ ও একক পাশে লিখে রাখলে সূত্র মনেও থাকে, প্রয়োগও করা যায়।
না, কারণ প্রতিটি অধ্যায় আগেরটির ধারণা ব্যবহার করে। বাদ দিলে পরের অধ্যায়েই আটকে যেতে হয়।
পরীক্ষণ করার দিনেই, যখন সব মনে আছে। জমিয়ে রাখলে শেষ সপ্তাহে তাড়াহুড়ো হয় এবং সহজ নম্বর হারাতে হয়।
আমাদের সাথে যুক্ত থাকো
পড়াশোনার আপডেট, সাজেশন ও প্রশ্নোত্তর সবার আগে পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে যুক্ত হও।






















