তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান বই
To read this in English, visit: Class 3 Science Book
তৃতীয় শ্রেণিতে প্রথমবার বিজ্ঞান আলাদা বিষয় হয়ে আসে। এই বইটির কাজ তথ্য দেওয়া নয় — শিশুর স্বাভাবিক "কেন" প্রশ্নটিকে বাঁচিয়ে রাখা এবং সেটির উত্তর কোথায় খুঁজতে হয় তা দেখানো।
কৌতূহল কেন সবচেয়ে বড় সম্পদ
ছোট শিশু স্বভাবতই প্রশ্ন করে, আর বিজ্ঞান বইটি সেই প্রশ্ন করার অভ্যাসকেই কাজে লাগাতে চায়। কিন্তু বাড়িতে বা শ্রেণিকক্ষে যদি প্রশ্নকে বিরক্তি হিসেবে দেখা হয়, শিশু প্রশ্ন করা বন্ধ করে দেয় — আর তখন বিজ্ঞান তার কাছে মুখস্থের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। উত্তর জানা না থাকলেও "চলো খুঁজে দেখি" বলাটাই যথেষ্ট।
বইটি ডাউনলোড করো
তৃতীয় শ্রেণির বিজ্ঞান পাঠ্যবই, দুই ভার্সনেই।
বাংলা ভার্সন ও ইংলিশ ভার্সন আলাদা বই — নিজের মাধ্যম অনুযায়ী সঠিকটি নামাও।
বাড়িতে যেভাবে সাহায্য করবেন
- প্রশ্নের উত্তর না জানলে একসঙ্গে খুঁজে দেখুন।
- বইয়ের কাজগুলো ঘরের জিনিস দিয়ে করে দেখান।
- বাইরে হাঁটতে গিয়ে গাছ, পোকা, আকাশ নিয়ে কথা বলুন।
- উত্তর বলে দেওয়ার আগে শিশুকে অনুমান করতে দিন।
এই বই মুখস্থের নয়
প্রাথমিক বিজ্ঞানে পরিভাষা কম এবং ব্যাখ্যা সরল, কারণ উদ্দেশ্য পরিভাষা শেখানো নয়। শিশুকে যদি সংজ্ঞা মুখস্থ করানো হয়, সে পরীক্ষায় লিখতে পারবে কিন্তু জিনিসটা বুঝবে না — আর ষষ্ঠ শ্রেণিতে গিয়ে যখন ব্যাখ্যা চাওয়া শুরু হয়, তখন সেই ফাঁকটি বেরিয়ে আসে। এখন বোঝায় সময় দিলে পরে মুখস্থের বোঝা অনেক কমে।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
"চলো খুঁজে দেখি" বলাই যথেষ্ট। উত্তর জানার চেয়ে প্রশ্ন করার অভ্যাসটি বাঁচিয়ে রাখা এই বয়সে বেশি জরুরি।
না। মুখস্থ করলে পরীক্ষায় লেখা যায় কিন্তু জিনিসটা বোঝা হয় না, আর সেই ফাঁক ষষ্ঠ শ্রেণিতে বেরিয়ে আসে।
করলে অনেক বেশি লাভ। বেশিরভাগে ঘরের জিনিসই যথেষ্ট, আর নিজে করে দেখা জিনিস আর মুখস্থ করতে হয় না।
আমাদের সাথে যুক্ত থাকো
পড়াশোনার আপডেট, সাজেশন ও প্রশ্নোত্তর সবার আগে পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে যুক্ত হও।






















