ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ ভর্তি ২০২৬-২৭ — যোগ্যতা, পরীক্ষা ও আবেদন
To read this in English, visit: Jhenaidah Cadet College Admission 2026-27 — Eligibility, Exam and How to Apply
ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ বাংলাদেশের দ্বিতীয় ক্যাডেট কলেজ, উদ্বোধন হয় ১৯৬৩ সালের ১৮ অক্টোবর। ক্যাম্পাসের আয়তন ১০৩ একর, অবস্থান ঝিনাইদহ জেলায়।
ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ — এক নজরে
| তথ্য | বিবরণ |
|---|---|
| প্রতিষ্ঠানের নাম | ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ |
| কেন্দ্রীয় তালিকায় | নেই — একাদশ শ্রেণির কেন্দ্রীয় ভর্তি তালিকায় এই প্রতিষ্ঠান নেই (যাচাই ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬) |
| ঠিকানা | ঝিনাইদহ |
| শিক্ষা বোর্ড | যশোর শিক্ষা বোর্ড |
| ধরন | সেনাবাহিনী পরিচালিত ক্যাডেট কলেজ |
| শিক্ষার্থী | ছাত্র (বালক) |
| প্রতিষ্ঠাকাল | 1963 |
| ভর্তি পদ্ধতি | জাতীয় ভর্তি পরীক্ষা — ৭ম শ্রেণি |
| ওয়েবসাইট | jcc.army.mil.bd |
ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২৬-২৭ — এখন কী অবস্থা
একাদশ শ্রেণির আসন বা কাট-অফ এই পাতায় নেই, কারণ ক্যাডেট কলেজে একাদশে ভর্তিই হয় না। আর ৭ম শ্রেণির বার্ষিক আসনসংখ্যাও লেখা হয়নি — সংখ্যাটি প্রতি বছরের ভর্তি বিজ্ঞপ্তির পিডিএফে থাকে, ওয়েবসাইটের সাধারণ লেখায় নয়।
ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ সম্পর্কে
উদ্বোধন করেছিলেন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর আবদুল মোনেম খান, আর কলেজটি প্রকৃতপক্ষে পাঠদান শুরু করে ১৯৬৪ সালের ২৬ এপ্রিল। প্রথম অধ্যক্ষ ছিলেন লে. কর্নেল এন. ডি. হাসান, এইএসি। উদ্বোধন ও পাঠদান শুরুর মধ্যে ছয় মাসের ব্যবধানটি নথিতে স্পষ্ট, তাই প্রতিষ্ঠাসাল হিসেবে দুটি তারিখই আলাদা আলাদা জায়গায় দেখা যায়।
কলেজের মটো “The Learned Are Judicious” — জ্ঞানীই বিচক্ষণ। দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলাদেশের ক্যাডেট কলেজ হিসেবে যশোর বোর্ডের অধীন জেলাগুলোর শিক্ষার্থীদের কাছে এটি নিকটতম।
ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ — ৭ম শ্রেণিতে আসন
| গ্রুপ / বিভাগ | আসন | মন্তব্য |
|---|---|---|
| ৭ম শ্রেণিতে বার্ষিক ভর্তি | not published | সংখ্যাটি ভর্তি বিজ্ঞপ্তির পিডিএফে থাকে, ওয়েবসাইটের লেখায় নয় — আমরা পড়তে পারিনি |
সংখ্যাগুলো বর্তমান কাঠামো শিক্ষাবর্ষের; নতুন বিজ্ঞপ্তি এলে বদলাতে পারে।
ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ-এ একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া যায়?
সংক্ষেপে: যায় না। ক্যাডেট কলেজে শিক্ষার্থী নেওয়া হয় কেবল ৭ম শ্রেণিতে, আর সেই ক্যাডেটরাই দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ে — অর্থাৎ একাদশ শ্রেণির আসন আগে থেকেই পূর্ণ। এসএসসির পর বাইরে থেকে ক্যাডেট কলেজে ভর্তির কোনো পথ নেই, আর কেন্দ্রীয় একাদশ ভর্তির তালিকায় কোনো ক্যাডেট কলেজ নেই (আমরা ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ৯টি সাধারণ বোর্ডের ৬৬ জেলার ৫,১৩৪টি প্রতিষ্ঠানের তালিকা মিলিয়ে দেখেছি — একটিও নেই)।
| যে প্রশ্নটি খোঁজা হয় | প্রকৃত উত্তর |
|---|---|
| একাদশ শ্রেণিতে ন্যূনতম জিপিএ | প্রযোজ্য নয় — একাদশে ভর্তি নেই / Not applicable — there is no Class XI intake |
| এসএসসির পর ভর্তির সুযোগ | নেই / None |
| যে শ্রেণিতে ভর্তি হয় | ৭ম শ্রেণি / Class VII |
ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ-এ কীভাবে ভর্তি হয়
ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ-এ ভর্তি হয় ৭ম শ্রেণিতে, একটি জাতীয় ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে — কোনো একটি কলেজে আলাদা করে নয়। আবেদন হয় cadetcollegeadmission.army.mil.bd ঠিকানায়, আর সেখানেই পছন্দের ক্যাডেট কলেজের ক্রম দিতে হয়।
নির্বাচন কয়েক ধাপে হয় — প্রথমে লিখিত পরীক্ষা, উত্তীর্ণদের জন্য মৌখিক পরীক্ষা এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষা। প্রতিটি ধাপ আলাদা করে উতরাতে হয়, একটিতে বাদ পড়লে পরেরটিতে যাওয়া যায় না।
আবেদন করতে হয় সব ক্যাডেট কলেজের জন্য একসঙ্গে, একটি কেন্দ্রীয় আবেদনে — কোনো একটি কলেজে আলাদা করে নয়। নির্বাচিত হলে কোন কলেজে জায়গা হবে তা নির্ধারিত হয় ফলাফল ও পছন্দের ভিত্তিতে।
২০০৩ সাল থেকে সব ক্যাডেট কলেজ জাতীয় পাঠ্যক্রমের ইংরেজি ভার্সনে পড়ায়, অর্থাৎ ভর্তির পর পাঠ্যবই জাতীয় কারিকুলামেরই — ইংরেজি মাধ্যমে।
| শর্ত | বিবরণ |
|---|---|
| যে শ্রেণিতে ভর্তি | ৭ম শ্রেণি — ক্যাডেট কলেজে ভর্তির একমাত্র প্রবেশপথ |
| আবেদনের ঠিকানা | cadetcollegeadmission.army.mil.bd |
| নির্বাচনের ধাপ | লিখিত পরীক্ষা → মৌখিক পরীক্ষা → স্বাস্থ্য পরীক্ষা |
| বয়স ও অন্যান্য শর্ত | প্রতি বছরের ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত — এখানে লেখা হয়নি, কারণ শর্তগুলো বছরে বদলায় এবং আমরা চলতি বিজ্ঞপ্তির লেখা পড়তে পারিনি |
| একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি | নেই — কেন্দ্রীয় একাদশ ভর্তির তালিকায় ক্যাডেট কলেজ নেই |
কেন ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ বেছে নেবে
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ক্যাডেট কলেজ (১৯৬৩)
- ঝিনাইদহে ১০৩ একরের আবাসিক ক্যাম্পাস
- দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলাদেশের নিকটতম ক্যাডেট কলেজ
- জাতীয় পাঠ্যক্রমের ইংরেজি ভার্সনে পাঠদান
সাধারণ জিজ্ঞাসা
যায় না। ভর্তি নেওয়া হয় কেবল ৭ম শ্রেণিতে এবং ক্যাডেটরা সেখান থেকেই দ্বাদশ পর্যন্ত পড়ে, তাই একাদশে কোনো ফাঁকা আসন তৈরি হয় না।
দুটোই ঠিক, তবে আলাদা অর্থে — উদ্বোধন ১৯৬৩ সালের ১৮ অক্টোবর, আর পাঠদান শুরু ১৯৬৪ সালের ২৬ এপ্রিল। কোন তারিখটি ব্যবহার করা হচ্ছে তার ওপরেই সালের পার্থক্য।
সংখ্যাটি এই পাতায় লেখা হয়নি, কারণ সেটি প্রতি বছরের ভর্তি বিজ্ঞপ্তির পিডিএফে থাকে এবং আমরা তার লেখা যাচাই করতে পারিনি। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলে ভর্তির ওয়েবসাইটেই পাওয়া যাবে।
যশোর শিক্ষা বোর্ড। ঝিনাইদহ যশোর বোর্ডের অধীন জেলা, আর খুলনা বিভাগের সাধারণ শিক্ষার প্রতিষ্ঠানগুলোও এই বোর্ডেই পড়ে।
আমাদের সাথে যুক্ত থাকো
পড়াশোনার আপডেট, সাজেশন ও প্রশ্নোত্তর সবার আগে পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে যুক্ত হও।






















