মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

বাংলা · বাংলা ব্যাকরণ

ধ্বনি ও বর্ণ — পার্থক্য, প্রকারভেদ ও উদাহরণ

ধ্বনি ও বর্ণের পার্থক্য, স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণ, কার ও ফলা — উদাহরণসহ ব্যাখ্যা।

সংজ্ঞা

ভাষার ক্ষুদ্রতম একককে ধ্বনি বলে, আর সেই ধ্বনির লিখিত প্রতীককে বলে বর্ণ। ধ্বনি শোনা যায়, বর্ণ দেখা যায় — এটিই দুটির মূল পার্থক্য।

বিস্তারিত আলোচনা

কথা বলার সময় আমাদের মুখ থেকে যে ক্ষুদ্রতম আওয়াজ বেরোয়, যাকে আর ভাগ করা যায় না, সেটিই ধ্বনি। "বই" শব্দটি উচ্চারণ করলে ব্‌, অ, ই — এই কয়টি ধ্বনি শোনা যায়। এই ধ্বনিগুলো লিখতে গিয়ে আমরা যে চিহ্ন ব্যবহার করি, সেগুলোই বর্ণ। তাই একটি ভাষায় ধ্বনির সংখ্যা আর বর্ণের সংখ্যা এক না-ও হতে পারে; বাংলায় ঠিক তা-ই ঘটেছে।

বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ পঞ্চাশটি — এগারোটি স্বরবর্ণ ও ঊনচল্লিশটি ব্যঞ্জনবর্ণ। যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাস মুখগহ্বরে বাধা পায় না, তা স্বরধ্বনি; আর যে ধ্বনি উচ্চারণে বাতাস কোথাও না কোথাও বাধা পায়, তা ব্যঞ্জনধ্বনি। স্বরধ্বনি একা উচ্চারিত হতে পারে, ব্যঞ্জনধ্বনি পারে না — তাকে উচ্চারণ করতে হলে সঙ্গে একটি স্বর লাগেই।

বর্ণের কয়েকটি বিশেষ রূপও আছে যা পরীক্ষায় আসে। স্বরবর্ণ যখন ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সংক্ষিপ্ত আকার নেয়, তাকে কার বলে — যেমন া, ি, ু। ব্যঞ্জনবর্ণ সংক্ষিপ্ত হয়ে যুক্ত হলে তাকে ফলা বলে — যেমন ্য, ্র, ্ব। আর দুই বা তার বেশি ব্যঞ্জন মিলে যে একক রূপ নেয়, তাকে যুক্তবর্ণ বলে, যেমন ক্ত, ন্ত, ষ্ণ।

মনে রাখার কথা

ধ্বনি উচ্চারণের বিষয়, বর্ণ লেখার বিষয় — এই পার্থক্যটুকু মনে রাখলে বাকি সব সহজ হয়ে যায়।

উপযোগী শ্রেণি: নবম, দশম, একাদশ, দ্বাদশ শ্রেণি।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

আরও বাংলা ব্যাকরণ পড়ো

বাংলা ব্যাকরণ-এর পূর্ণ তালিকা ও বাংলা লেখার অন্যান্য অংশ এক জায়গায়।

আমাদের সাথে যুক্ত থাকো

পড়াশোনার আপডেট, সাজেশন ও প্রশ্নোত্তর সবার আগে পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে যুক্ত হও।